কুড়িগ্রাম সাহিত্যে এবারের ‘অন্তমিল’ আয়োজনে

 

 

 


মা হ মু দ মো স্ত ফা

মানুষ চিনে চিনে

তোমায় নিয়ে ব্যাঙ্গ করে
হয় কবিতা ছড়া
দৃষ্টি গোচর হলেই পরে
মেজাজ ভীষণ চড়া।

কিন্তু তুমি ঘাবড়ে গিয়ে
না ফুলিয়ে গাল
ভাব এসব তুচ্ছ যেন
শুকনো মরা ডাল।

বন্ধু মতন দেখায় তাদের
কিন্তু তারা নয়
সত্যি ভালো চাইলে কেহ
অমন করে কয়!

এসব তোমায় খুব সহজে
টপকে যেতে হবে
নইলে বুকে বাড়বে ব্যাথা
পথেই থমকে রবে।

মান-সম্মান যায় না পাওয়া
অর্থ দিয়ে কিনে
সাবধানে তাই সামনে চলো
মানুষ চিনে চিনে।

ম ক বু ল  প্র ধা ন

চরম দিনে

দুর্নীতির সেই চরম দিনে সুযোগ সবাই খোঁজে ,

আস্ত দিলে ব্যস্ত থাকে অর্ধেতে ভার সোজে ।

ভীষণ কাজে ব্যস্ত দেখায় কাজেই নাকি বন্দি ,

আসল কাজে নেইকো কিছু আস্ত নেবার ফন্দি ।

অফিসসহ চলছে সে রেশ, চলছে অনেক দরবারে-

দুর্নীতিরই চর্চা সদায় পরিবারিক কারবারে ।

মস্ত গিলে আস্ত দিলেই দেখে না কেউ আড়চোখে ,

ইশারাতে আসতে বলে, বলে না তো ঠোঁট-মুখে।

কিন্তু এখন দুর্নীতি সব রুখতে হবে মনচরায় ,

ভিসনগুলো ভীষণভাবে ভাবতে হবে দেশ গড়ায়।

 

 

শা ন্তি

বাংলার মাটি

 

পরন্ত বিকেলের কোনো ক্ষণে

বসে আছি আজ একলা মনে।

সোনালি ফসলের মনকারা ঘ্রাণ,

দক্ষিণা বাতাস মুগ্ধ করে প্রাণ।

 

স্নিগ্ধ সকাল, পাখি ডাকা সন্ধ্যা,

মুখরিত করে আমাকে;

তাই রয়ে যাব এই বাংলার মাটি

আর সবুজ ঘাসের বুকে।

 

কবি মতিয়ার রহমান’র পুঁথি : হামার কুড়িগ্রাম-১